
শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে শিক্ষক, অভিভাবক ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটিকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ১৫০নং বেলঘর সুহৃদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিচিতি সভা ও অভিভাবক সমাবেশ।
শনিবার সকাল ১০টায় বিদ্যালয়ের তৃতীয় তলার অডিটোরিয়ামে নবনির্বাচিত বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির পরিচিতি, অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং শিক্ষার মানোন্নয়নবিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মাওলানা আলাউদ্দীন। পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথি এবং নবনির্বাচিত পরিচালনা কমিটির সদস্যদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি রবিউল হোসেন মজুমদার।
সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সুমন চন্দ্র দেবনাথ। প্রধান মেহমান হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন উন্নয়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আহমেদ সুমন।
প্রধান বক্তা ছিলেন কুমিল্লা মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর হাসনাত আনোয়ার উদ্দীন বাদল। স্বাগত বক্তব্য দেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাস্টার আহসান উল্লাহ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত সহসভাপতি ওমর ফারুক, নাথেরপেটুয়া ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক হাসনাত সাজ্জাদ হোসেন সজল, বেলঘর গোসাই বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফখরুল ইসলাম, আদ্রা উত্তর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, বেলঘর ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোজাম্মেল হোসেন আমিনী, সহকারী শিক্ষকা খাদিজা আক্তার, অভিভাবক কমিটির সদস্য জয়নাল আবেদীন এবং সমাজসেবক মহররম আলীসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সভায় বক্তব্য দেন জনাব আহমেদ সুমন। এ সময় তিনি বিদ্যালয়ের সামনে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা প্রায় ২০ শতক আয়তনের একটি পুকুর ভরাট করে দেওয়ার ঘোষণা দেন।
বক্তারা বলেন, শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে বিদ্যালয়, পরিবার ও পরিচালনা কমিটির মধ্যে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
সভায় বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন ও শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক, অভিভাবক, পরিচালনা কমিটি এবং স্থানীয় সমাজের প্রতিনিধিদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।
মন্তব্য করুন